চলে গেলেন চিত্রপরিচালক মৃণাল সেন

প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা, চিত্রনাট্যকার ও লেখক মৃণাল সেন আর নেই। রোববার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার বয়স হয়েছিলো ৯৫ বছর। মৃণাল সেনের মৃত্যুতে বাংলা চলচ্চিত্র জগতে একটা যুগের অবসান হল বলেই মনে করছেন অনেকে।

Image result for চিত্রপরিচালক মৃণাল সেন

প্রয়াত মৃণাল সেন প্রখ্যাত চলচিত্র নির্মাতা প্রয়াত সত্যজিৎ রায় এবং ঋতিক ঘটকের সমসাময়িক ছিলেন। বিশ্বব্যাপী বাঙালি সমান্তরাল সিনেমাগুলির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ দূত হিসেবে বিবেচিত হন তিনি। মৃণাল সেন মার্কসবাদী দর্শনের একটি উৎসাহী অনুসারী ছিলেন।আজীবন বামপন্থায় বিশ্বাসী মৃণাল সেন কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ার সাংস্কৃতিক কাজকর্মের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

১৯২৩ সালের ১৪ মে ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতের ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেন মৃণাল সেন। ১৯৮৩ সালে পদ্মভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হয় তাঁকে। ‘দাদাসাহেব ফালকে’ পুরস্কারেও সম্মানিত করা হয় এই পরিচালককে।

১৯৫৫ সালে ‘রাতভোর ‘ছবি দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে যাত্রা শুরু মৃণাল সেনের। সে ছবিতে অভিনয় করেছিলেন মহানায়ক উত্তম কুমার। প্রথম ছবিতে তেমন সাফল্য না পেলেও পরের ছবি ‘নীল আকাশের নীচে’-তে নিজের জাত চেনান তিনি।

এরপর ‘বাইশে শ্রাবণ’ ছবির হাত ধরে আন্তর্জাতিক স্তরে স্বীকৃতি মেলে মৃণাল সেনের। ‘ভুবনসোম’, ‘কোরাস’, ‘মৃগয়া’, ‘অকালের সন্ধানে’, ‘খারিজ’, ‘ক্যালকাটা ৭১’ মতো সিনেমাগুলি চিরকাল সিনেপ্রেমীদের মনের মণিকোঠায় জায়গা করে থাকবে।

এই ছবিগুলি জাতীয় পুরস্কার এনে দিয়েছে মৃণাল সেনকে। ২০০২ সালে শেষবার ক্যামেরার পিছনে দাঁড়িয়েছিলেন পরিচালক, ছবির নাম ‘আমার ভুবন

 

Spread the love
  • 7
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    7
    Shares

আপনার মন্তব্য লিখুন